পাহাড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা মজবুত করতে দুধিয়ার ফুটব্রিজ তৈরি করল সেনা! স্বস্তি স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পর্যটকদের

দুধিয়ায় বালাসন নদীর ওপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ দুধিয়া সেতুটি টানা ভারী বর্ষণ ও জলোচ্ছ্বাসে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টানা ভারী বৃষ্টিতে বালাসনের উপর থাকা আগের সেতুটি ভেসে যাওয়ায় কার্যত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে দুধিয়া এলাকা।

অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বার বার ক্ষতিগ্রস্ত হয় উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জেলার দুধিয়া সেতু। ফলে দার্জিলিঙের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটে। এ বার উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ফের সচল করতে এগিয়ে এল ভারতীয় সেনার ‘ত্রিশক্তি’ কোর। জেলা প্রশাসনের আবেদনে সাড়া দিয়ে দুধিয়ায় বালাসন নদীর উপর ৩৪ মিটার দীর্ঘ একটি ফুটব্রিজ তৈরি করেছে সেনা। এর ফলে আবার চালু হল শিলিগুড়ি ও মিরিকের মধ্যে যোগাযোগ। পাশাপাশি, এই ফুটব্রিজের কারণে পশুপতি ফাটক-সহ সীমান্তগামী রুটে যাতায়াতও অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন একাংশ। আপাতত এই সেতু দিয়ে নিরাপদে পায়ে হেঁটে নদী পারাপার করা যাবে। তবে, জেলা প্রশাসনের একই আবেদনের ভিত্তিতে খুব শীঘ্রই একটি বড় বেইলি ব্রিজ তৈরির কাজও শুরু করবে সেনা, যাতে ভবিষ্যতে যানবাহন চলাচলও সম্ভব হয়।

দুধিয়ায় বালাসন নদীর ওপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ দুধিয়া সেতুটি টানা ভারী বর্ষণ ও জলোচ্ছ্বাসে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টানা ভারী বৃষ্টিতে বালাসনের উপর থাকা আগের সেতুটি ভেসে যাওয়ায় কার্যত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে দুধিয়া এলাকা। এর কারণে সমস্যায় পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা, নিত্যযাত্রী থেকে পর্যটক— সকলেই। এই পরিস্থিতি এড়াতে সেনা দ্রুত পদক্ষেপ করে অস্থায়ী ফুটব্রিজ তৈরি করেছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত এই সেতু দিয়ে নিরাপদে পায়ে হেঁটে নদী পারাপার করা যাবে। তবে, জেলা প্রশাসনের একই আবেদনের ভিত্তিতে খুব শীঘ্রই একটি বড় বেইলি ব্রিজ তৈরির কাজও শুরু করবে সেনা, যাতে ভবিষ্যতে যানবাহন চলাচলও সম্ভব হয়। এতে শুধু সাধারণ মানুষের যাতায়াতই নয়, পর্যটন শিল্পও ফের গতি পাবে, যা এই এলাকার বহু মানুষের জীবিকার সঙ্গে জড়িত।

সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেতুটি নির্মাণের সময় নিরাপত্তা ও স্থায়িত্বের দিকে বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। যাতে সাধারণ মানুষ নিশ্চিন্তে এই সেতু ব্যবহার করতে পারেন, তার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পুনরুদ্ধার হওয়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত সহজ হবে, পর্যটনও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে। স্থায়ী সমাধান না-হওয়া পর্যন্ত এই উদ্যোগ সকলকে বড় স্বস্তি দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *